A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php71/ci_sessiondddf6f610e02656be7b419754dea81c29ea936f3): failed to open stream: Disk quota exceeded

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 172

Backtrace:

File: /home/asiamail/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/asiamail/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php71)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/asiamail/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/asiamail/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

চরম অনিশ্চয়তায় জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা

চরম অনিশ্চয়তায় জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা

কেউ স্কলারশিপ পেয়েছেন, কেউ নিজের টাকায় উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হয়েছেন ইউরোপের দেশ জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। করোনা মহামারির কারণে বিগত ২-৩ সেমিস্টারে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে বসেই অনলাইনে ক্লাস করেছেন ।

তবে আগামী সেমিস্টারে  জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্যাম্পাস চালু করতে যাচ্ছে। এদিকে ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাস ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক সময়ে সীমিত এবং লকডাউনের একেবারেই বন্ধ রাখায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ অবস্থানরত জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে জার্মান দূতাবাসের কার্যক্রম পরিচালিত না হলে যথাসময়ে ভিসা পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। অনেকেই টিউশন ফি জমা দিচ্ছেন, তারা যেতে না পারলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

আবার কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব বাতিলের শঙ্কা রয়েছে। ফলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে হুমকির মুখে পড়বে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ও ক্যারিয়ার।

জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ এপ্লাইড সায়েন্স আম্বার্গ-ওয়েইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. নাজিম উদ্দিন। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে যতদূর জেনেছি প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী আছেন যারা জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত ২-৩ সেমিস্টারে ভর্তি হয়েছেন। এতদিন অনলাইনে ক্লাস ছিল, আমরা দেশে বসে ক্লাস করেছি। আগামী সেমিস্টারে ক্যাম্পাস চালু হবে, তখন তো আমাদের জার্মানি যেতে হবে। এখন দূতাবাস যদি ভিসা কার্যক্রম শুরু না করে তাহলে আমরা বিপদে পড়বো।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, করোনার মহামারির প্রভাবে লকডাউনের সময় ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাস ভিসা সংক্রান্ত সেবা বন্ধ রেখেছে। অন্যান্য সময় খুবই সীমিত আকারে হয়। জার্মানিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় বছরে ২ সেমিস্টারে।  

বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা জার্মানির বিভিন্ন পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হয়ে বিগত ৩ সেমিস্টার অনলাইনে ক্লাস করছে। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়  আগামী সেমিস্টার ক্যাম্পাস চালু করতে যাচ্ছে। এজন্য শিক্ষার্থীদের অনেকেই ব্লক অ্যাকাউন্ট ১১ লাখ টাকা জমা রেখেছে । যারা স্কলারশিপ পাননি তারা বিশ্ববিদ্যালয়  ভেদে কয়েক লক্ষাধিক টাকা টিউশন ফিও জমা দিয়েছে।

আরেক শিক্ষার্থী মো. শামসুল আকরাম  বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে জার্মানিতে থাকা খাওয়ার জন্য ১১ লাখ টাকা ব্লক অ্যাকাউন্টে রাখতে হয়। প্রায় সবাই এই টাকা জমা দিয়ে দিয়েছে।

এখন আমাদের ভিসার বিষয়টি সমাধান না হলে অনিশ্চয়তায় পড়বো। অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি এবং স্বাস্থ্য বীমায় জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বাংলাদেশ থেকে পরিশোধ করছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, জার্মানিতে শিক্ষা ব্যবস্থা থিওরি, প্র্যাকটিক্যাল ও ইন্টার্নশিপের সমন্বয়ে হয়। বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে থিওরি ক্লাস অনলাইনে পরিচালিত হলেও প্র্যাকটিক্যাল এবং ওয়ার্কশপ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিচালিত হবে। প্রতিষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণ করতে হবে।

মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, লকডাউন চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের ভিসাকে জরুরি ও বিশেষ সেবা বিবেচনায় নিয়ে ভিসা কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য আমরা  বাংলাদেশে জার্মান দূতাবাসে আবেদন জানিয়েছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর  দফতরে গিয়ে ২ মে স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা আশা করছি বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

এশিয়ামেইল২৪/এমএএম

পাঠকের মন্তব্য