A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php71/ci_session8518b37c51e300c09c7230c2e00f65a832df8624): failed to open stream: Disk quota exceeded

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 172

Backtrace:

File: /home/asiamail/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/asiamail/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php71)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/asiamail/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/asiamail/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

নেপালের সংকট কাটাতে বাংলাদেশ  থেকে ৩০ হাজার টন সার গেল 

নেপালের সংকট কাটাতে বাংলাদেশ  থেকে ৩০ হাজার টন সার গেল 

গত বছর ধান রোপণের ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত সারের অভাবে ঠিকমতো শস্য ফলাতে পারেননি নেপালের কৃষকরা। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে এ বছর আগেভাগেই সতর্ক দেশটির সরকার। গতবারের মতো সংকট যেন আর না হয়, সেজন্য বাংলাদেশের শরণাপন্ন হয়েছে তারা। নেপালিদের এই অনুরোধে ইতিবাচক সাড়াও দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

নেপালি গণমাধ্যম হিমালয়ান টাইমসের খবর অনুসারে, চলতি বছর সংকট কাটাতে বাংলাদেশ থেকে ৫০ হাজার টন সার আমদানি করছে নেপাল। ইতোমধ্যে ৩০ হাজার টনের বেশি পৌঁছেও গেছে হিমালয়-সংলগ্ন দেশটিতে।

নেপালি আমদানিকারক এগ্রিকালচার ইনপুট কোম্পানি লিমিটেড (এআইসিএল) জানিয়েছে, এপর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৩০ হাজার ৫০০ টন সার তাদের হাতে পৌঁছেছে। বাকি ১৯ হাজার ৫০০ টন আগামী সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্যমতে, তাদের কাছে বর্তমানে ১৭ হাজার টন ইউরিয়া, ছয় হাজার টন পটাশ এবং ৪৫ হাজার টন ডিএপি সার মজুত রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আমদানির পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আরও ২৭ হাজার টন ইউরিয়া আমদানি করছে এআইসিএল। ফলে চলতি বছর নেপালের কৃষকরা আর সার সংকটে পড়বেন না বলে আশা করছে তারা।

হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর চরম সংকটে ভোগার পর তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ থেকে সার আমদানিই সেরা উপায় হিসেবে ঘোষণা দেন নেপালের সাবেক কৃষিমন্ত্রী ঘনশ্যাম ভুসাল। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের সময় নেপালি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সার ধার দেয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু দেশের আইনবিরোধী হওয়ায় ওভাবে নেপালকে সার দিতে পারেনি বাংলাদেশ। তারপরেই বাংলাদেশ থেকে সরাসরি সার কিনে নেয়ার চুক্তি করে নেপাল সরকার।
 

পাঠকের মন্তব্য