চলচ্চিত্র দিবস:করোনায় লোক-সমাগমহীন আয়োজন

আজ ৩ এপ্রিল, জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস। ২০১২ সাল থেকে আজকের এই দিনটি জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে করোনার সাধারণ ছুটির কারণে গত বছর বিএফডিসিতে পালিত হয়নি দিনটি।

এবারও প্রায় একই অবস্থা। খুবই সীমিত আকারে রাখা হয়েছে একটি অনুষ্ঠান। তবে সেখানে থাকবে না বাইরের দর্শক অথবা চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণের সুযোগ।

আয়োজনের বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুজহাত ইয়াসমিন।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু জাতীয় একটি দিবস, তাই আমরা সেটাকে সম্মান জানাবো। এটা একেবারেই সীমিত আকারে হবে। এফডিসিতে ব্যানার ও পোস্টার থাকবে। দুপুরের পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর একটা ব্যবস্থা থাকবে। তবে এটা বিএফডিসির কর্মকর্তা ও ভেতরকার মানুষরা দেখবেন। এর বাইরে কারও অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই।’

গত বছর ছাড়া বিগত এক দশক ধরেই বর্ণিল আয়োজনে এফডিসিতে আয়োজন করা হয় এই দিনটি। পুরনো দিনের কাটবোর্ড, পোস্টার ও মরিচবাতিতে ভরে যায় এই শিল্পাঞ্চলের অলিগলি। থাকে বিভিন্ন আয়োজন ও প্রদর্শনী। বেলুন, পায়রা উড়িয়ে উদ্বোধন করা হয় দিবসটির।

যার নেতৃত্বে থাকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, শিল্পী ও প্রযোজক সমিতি।

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদ্য সাবেক সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘বর্ণিল আয়োজন করতে তো ইচ্ছে হয়ই। কিন্তু করোনা সে ইচ্ছেতে বাদ সেধেছে। আমরা কোনও আয়োজন করছি না এবার। তবে এফডিসি কর্তৃপক্ষ ছোট আকারে কিছু করবে।’

এদিকে, বিএফডিসির বাইরেও অনলাইনে থাকছে আরও একটি অনুষ্ঠান। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির ‘স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংস্কৃতি’ শিরোনামে বিশেষ বক্তৃতার আয়োজন করেছে। অদ্রি হৃদয়েশের সঞ্চালনায় এতে অংশ নেবেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সংগঠনের সভাপতি বেলায়াত হোসেন মামুন।

অনলাইন এই আয়োজনটি দেখা যাবে এই ঠিকানায়- https://www.facebook.com/Moviyana

২০১২ সালের ৩ এপ্রিল থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস পালিত হয়ে আসছে।

পাঠকের মন্তব্য